পাতা

অফিস সম্পর্কিত

১৯৭০ সালের ১১-১২ নভেম্বর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে স্মরণকালের প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে লক্ষ  লক্ষ মানুষের প্রাণহানি এবং কোটি কোটি টাকার ফসল বিনষ্ট হয় । এই বিপর্যয়ের পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অনুরোধক্রমে লীগ অব রেড ক্রস এন্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (বর্তমানে আই, সি, আর, সি)  প্রাক দুর্যোগ কর্মসূচী প্রতিষ্ঠায় প্রয়াসী হয় এবং বর্তমান পরিপূর্ণ কর্মসূচীটির  অগ্রদূত মি: ক্লাস হেগষ্ট্রমকে (১৯৮০ সালে প্রয়ত) কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য এ দেশে পাঠানো হয় ।

মি: ক্লাস হেগষ্ট্রম ও তার সহকর্মীরা বাংলাদেশের সম্পূর্ণ উপকূল ভাগ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পরীক্ষা   করেন এবং  ১৯৭২ সালের ফেব্রয়ারী মাসে ‘‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্ত্ততি কর্মসূচী’’ প্রতিষ্টা করেন। পরিকল্পনানুযায়ী টেকনাফের সেন্ট মার্টিনস থেকে পাথরঘাটা পর্যন্ত বিস্তৃত উপকূল ভাগের ২৪টি থানার ২০৪টি ইউনিয়নের ২,০৩১টি ইউনিটের মোট ২০,৩১০ জন স্বেচ্ছাসেবক সমন্বয়ে শুরু হয় সিপিপি’র কর্মতৎপরতা ।এক বছর যেতে না যেতে লীগ অব রেডক্রস মাঠ পর্যায়ের কর্মসূচী বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং সরকারের সাথে যোগাযোগ করে। কর্মসূচীর গুরুত্ব বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকার ৪মে ১৯৭৩ তারিখে অনুষ্ঠিত  সভার গৃহিত সিদ্ধান্তের আলোকে কর্মসূচীটির দায়িত্ব গ্রহন করে এবং কর্মসূচীর আবর্তক ব্যায় বহনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে।  সিদ্ধান্ত অনুযায়ী BDRCS কে কর্মসূচীর অপারেশনাল ব্যয় বহন করার সিদ্ধান্ত  গ্রহন করা হয়। ফলে এই কর্মসূচীটি বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ রেড  ক্রিসেন্ট সোসাইটির একটি যৌথ কর্মসূচী হিসাবে রুপ লাভ করে । বর্তমানে এই কর্মসূচীতে ২০৩ জন কর্মকর্তা / কর্মচারী এবং ৪৯,৩৬৫ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করে যাচ্ছে।

 

সিপিপি'র  প্রশাসনিক ইউনিটঃ

 ‘‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্ত্ততি কর্মসূচী (সিপিপি)’’ বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এর যৌথ কর্মসূচী ।  ঘূর্ণিঝড় প্রস্ত্ততি কর্মসূচী (সিপিপি)-র ঢাকায় একটি প্রধান কার্যালয়, কক্সবাজার, চট্রগ্রাম, নোয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, বরগুনা এবং খুলনায় আঞ্চলিক কার্যালয়, ৩৭টি উপজেলা কার্যালয় এবং ৩২২ টি ইউনিয়ন কার্যালয় রয়েছে । এছাড়া ৩২৯১টি  ইউনিট রয়েছে । পটুয়াখালী জেলার দশমিনা, বাউফল, গলাচিপা ও কলাপাড়া।

ছবি



Share with :

Facebook Twitter